জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি লালগ্রাম নিবাসী জনাব আলহাজ¦ মো: আব্দুল হান্নানের বৃহৎ দানে এলাকাবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় ১৯৭৯ সালে জকিগঞ্জ উপজেলার বৃহৎ বাজারগুলোর অন্যতম বাবুর বাজারের পার্শে মাজবন্দ ও সহিদাবাদ মৌজার সুন্দরারচক গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ইহা ৫ নং জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভূক্ত। এ বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী ১৩০০ জন। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ১৩ জন, শিক্ষিকা ২ জন, গ্রন্থাগারিক ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ১ জন, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ৫ জন। এমপিও বহির্ভূক্ত শিক্ষক ৮ জন, শিক্ষিকা ৩ জন। বিদ্যালয়ে ৮ কক্ষ বিশিষ্ট দ্বিতলা পাকা ভবন ১টি, ২ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবন ১টি, ১০ কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ৩ কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ১ কক্ষবিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ৪ কক্ষ বিশিষ্ট প্রধান শিক্ষকের সেমি পাকা ভবন ১টি ও ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ৪ তলা নির্মাণাধীন ভবন ১টি। বিদ্যালয়ের ভূমির পরিমাণ ২.০৪ একর। ভবনগুলোর সামনে ছোট আকারের ১টি খেলার মাঠ আছে। খেলার মাঠের আয়তন প্রায় ১ একর। স্কুলের ইতিহাস: ১৯৭৮ সালের শেষদিকে ঢাকাস্থ এজি অফিসে কর্মরত জুনিয়র অডিটর সুলতানপুর নিবাসী মরহুম আব্দুর রউফ (রফই মিয়া) সাহেবের কনিষ্ট ছেলে জনাব আলতাফ আহমদ ও তাঁর খালাতো ভাই একই অফিসে একই পদে কর্মরত সুলতানপুর নিবাসী মরহুম মহরির আব্দুল আজিজ সাহেবের বড় ছেলে এডভোকেট আব্দুল জব্বার (ছানা) এবং তাদের ভাই মরহুম আব্দুর রহমান উরফে লনি মিয়াকে জানান যে, এলাকায় একটি স্কুল করলে সহজে সরকারি অনুমোদন পাবে। জনাব মরহুম লনি মিয়া বিষয়টি এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি জনাব মরহুম আব্দুর রৌফ মাস্টার, মরহুম আব্দুল আজিজ মোহরী যিনি বিচারপতি জনাব আব্দুল মতিনের বড় ভাই, অবসরপ্রাপ্ত জেলা রেজিস্ট্রারার মরহুম আব্দুল গণি, জনাব আলহাজ্ব হান্নান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনাব মরহুম আব্দুল গণি সাহেবের আহ্বানে লালগ্রাম সংলগ্ন গঙ্গাজল খ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সুন্দরারচক নিবাসী মরহুম মাও: আব্দুল ফাত্তাহ সহ বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সভায় বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি এককভাবে দান করার অঙ্গিকার করেন জনাব আলতাফ আহমদ ও মরহুম আব্দুর রহমান লনি মিয়া এর ভগ্নিপতি লালগ্রাম নিবাসী জনাব আব্দুল হান্নান এবং একটি ঘর নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন মরহুম মাও: আব্দুল ফাত্তাহ। সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব মো: আছদ্দর আলী (ছই মিয়া) সাহেবের সর্বাত্মক সহযোগিতায় সুলতানপুর ইউপি কার্যালয়ের হল রুমে ০১/০১/১৯৭৯ খ্রি. তারিখে গুটিকয়েক শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম আরম্ভ হয়। প্রারম্ভে প্রধান শিক্ষক ছিলেন জনাব মরহুম এম এ গণি। এ সময় অন্য যারা শিক্ষক ছিলেন সর্বজনাব মরহুম আব্দুর রহমান ও সৈয়দ আব্দুল মুছব্বির। জনাব মরহুম কেরামত আলী ১৯৭৯ সালে স্বল্প সময়ের জন্য এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দিক নির্দেশনায় এ সময় বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পায়। জনাব মরহুম কেরামত আলীর পর ইলাবাজ নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমদ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। তার একান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি হাটি হাটি পা পা করে অগ্রসর হতে থাকে। পরে রারাই নিবাসী জনাব মরহুম আব্দুল মালিক তাপাদার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদ্যালয়টি হাই স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠার স্বল্প সময় অতিক্রান্ত হলেই বিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে রূপ লাভ করে।
প্রিয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীগণ, জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জকিগঞ্জ, সিলেট-এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাই। আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য নিশ্চিত করা নয়, বরং তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা হলো এমন একটি আলো যা অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ দেখায়। আমাদের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কর্মীগণ প্রতিটি...
জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি লালগ্রাম নিবাসী জনাব আলহাজ¦ মো: আব্দুল হান্নানের বৃহৎ দানে এলাকাবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতায় ১৯৭৯ সালে জকিগঞ্জ উপজেলার বৃহৎ বাজারগুলোর অন্যতম বাবুর বাজারের পার্শে মাজবন্দ ও সহিদাবাদ মৌজার সুন্দরারচক গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ইহা ৫ নং জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভূক্ত। এ বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী ১৩০০ জন। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ১৩ জন, শিক্ষিকা ২ জন, গ্রন্থাগারিক ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ১ জন, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ৫ জন। এমপিও বহির্ভূক্ত শিক্ষক ৮ জন, শিক্ষিকা ৩ জন। বিদ্যালয়ে ৮ কক্ষ বিশিষ্ট দ্বিতলা পাকা ভবন ১টি, ২ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবন ১টি, ১০ কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ৩ কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ১ কক্ষবিশিষ্ট সেমি পাকা ভবন ১টি, ৪ কক্ষ বিশিষ্ট প্রধান শিক্ষকের সেমি পাকা ভবন ১টি ও ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ৪ তলা নির্মাণাধীন ভবন ১টি। বিদ্যালয়ের ভূমির পরিমাণ ২.০৪ একর। ভবনগুলোর সামনে ছোট আকারের ১টি খেলার মাঠ আছে। খেলার মাঠের আয়তন প্রায় ১ একর। স্কুলের ইতিহাস: ১৯৭৮ সালের শেষদিকে ঢাকাস্থ এজি অফিসে কর্মরত জুনিয়র অডিটর সুলতানপুর নিবাসী মরহুম আব্দুর রউফ (রফই মিয়া) সাহেবের কনিষ্ট ছেলে জনাব আলতাফ আহমদ ও তাঁর খালাতো ভাই একই অফিসে একই পদে কর্মরত সুলতানপুর নিবাসী মরহুম মহরির আব্দুল আজিজ সাহেবের বড় ছেলে এডভোকেট আব্দুল জব্বার (ছানা) এবং তাদের ভাই মরহুম আব্দুর রহমান উরফে লনি মিয়াকে জানান যে, এলাকায় একটি স্কুল করলে সহজে সরকারি অনুমোদন পাবে। জনাব মরহুম লনি মিয়া বিষয়টি এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি জনাব মরহুম আব্দুর রৌফ মাস্টার, মরহুম আব্দুল আজিজ মোহরী যিনি বিচারপতি জনাব আব্দুল মতিনের বড় ভাই, অবসরপ্রাপ্ত জেলা রেজিস্ট্রারার মরহুম আব্দুল গণি, জনাব আলহাজ্ব হান্নান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনাব মরহুম আব্দুল গণি সাহেবের আহ্বানে লালগ্রাম সংলগ্ন গঙ্গাজল খ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সুন্দরারচক নিবাসী মরহুম মাও: আব্দুল ফাত্তাহ সহ বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সভায় বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি এককভাবে দান করার অঙ্গিকার করেন জনাব আলতাফ আহমদ ও মরহুম আব্দুর রহমান লনি মিয়া এর ভগ্নিপতি লালগ্রাম নিবাসী জনাব আব্দুল হান্নান এবং একটি ঘর নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন মরহুম মাও: আব্দুল ফাত্তাহ। সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব মো: আছদ্দর আলী (ছই মিয়া) সাহেবের সর্বাত্মক সহযোগিতায় সুলতানপুর ইউপি কার্যালয়ের হল রুমে ০১/০১/১৯৭৯ খ্রি. তারিখে গুটিকয়েক শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম আরম্ভ হয়। প্রারম্ভে প্রধান শিক্ষক ছিলেন জনাব মরহুম এম এ গণি। এ সময় অন্য যারা শিক্ষক ছিলেন সর্বজনাব মরহুম আব্দুর রহমান ও সৈয়দ আব্দুল মুছব্বির। জনাব মরহুম কেরামত আলী ১৯৭৯ সালে স্বল্প সময়ের জন্য এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দিক নির্দেশনায় এ সময় বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পায়। জনাব মরহুম কেরামত আলীর পর ইলাবাজ নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমদ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। তার একান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি হাটি হাটি পা পা করে অগ্রসর হতে থাকে। পরে রারাই নিবাসী জনাব মরহুম আব্দুল মালিক তাপাদার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদ্যালয়টি হাই স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠার স্বল্প সময় অতিক্রান্ত হলেই বিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে রূপ লাভ করে।
আমাদের ওয়েবসাইট প্রস্তুত হচ্ছে জেনে আমি খুবই আনন্দিত। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচিতি ও সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আমি মনে করি। আশাকরি, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমটি তথ্যবহুল হবে এবং আপডেট থাকবে। ওয়েব সাইট প্রস্তুত করণের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিবাদন। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আলোকিত মানুষ হয়ে দেশ ও জনগণের সেবক হিসেবে গড়ে উঠুক এবং তাদরে পথ চলা হোক সত্য, সুন্দর, কল্যাণ ও আলোর পথে। সবার জন্য আমার শুভ কামনা। মো: মাহবুবুর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জকিগঞ্জ ও সভাপতি, এডহক কমিটি জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়